Showing posts with label উপন্যাস. Show all posts
Showing posts with label উপন্যাস. Show all posts

Thursday, April 3, 2014

প্রহসন কি?

প্রহসন এক প্রকার নাট্য সৃষ্টি যেখানে “হাস্যরসময় জীবনালেখ্য রুপায়িত হয়ে উঠে। প্রহসন নাট্য সাহিত্যের একটি উপজাতি- কৌতুক নাটক বা ব্যঙ্গ নাটক এর যথার্থ পরিচয়। সংস্কৃত অলংকারিকেরা প্রহসন বলতে সমাজের কুরীতি শোধানার্থে রহস্যজনক ঘটনা সম্বলিত হাস্যরস-প্রধান একাঙ্কিকা নাটককে বুঝাতেন। বর্তমানে প্রহসন বলতে অতিমাত্রায় লঘু কল্পনাময়, অতিশয্যব্যঞ্জক, হাস্যরসোজ্জ্বল সংস্কারমূলক নাটককে বুঝায়। ইংরেজী নাটকে কমেডি যদি স্থুল রসিকতা বা হালকা হাসির পর্যায়ে পতিত হয় তবে তা Farce(A funny play for the theatre based on ridiculous and unlikely situations and events; this type of writing or performance) নামে অভিহিত করাহয়। Farce এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসাবে প্রহসন কথাটি ব্যবহার হয়। বাংলা প্রহসন বলতে কৌতুক ও ব্যঙ্গরসাত্নক সর্ববিধ নাটককে বুঝান হয়।

বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য প্রহসন অনেকগুলোই লেখা হয়েছে। যেমন-

রচয়িতাপ্রহসন
মাইকেল মধুসুদন একেই কি বলে সভ্যতা,বুড় সালিকের ঘারে রোঁ
গিরিশ চন্দ্র ঘোষ সপ্তমীতে বিসর্জন, বড় দিনের বক্‌শিস, সভ্যতার পান্ডা, পাঁচ কনে, বেল্লিক বাজার
অমৃতলাল বসুবিবাহ বিভ্রাট, সম্মতি সঙ্কট, কালা পানি, বাবু, একাকার, বৌমা, গ্রাম্য বিভ্রাট, বাহবা বাতিক, খাস দখল, চোরের উপর বাটপারি , ডিসমিস, চাটুয্যে ও বাঁডুয্যে, তাজ্জব ব্যাপার, কৃপনের ধন, অবতার, ব্যাপিকা বিদায়, রাজা বাহাদুর, তিলতর্পণ
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কল্কি অবতার, পুনর্জন্ম, বিরহ, এ্যহস্পর্শ, প্রায়শ্চিত
মীর মোশারফ হোসেন এর উপায় কি, ভাই ভাই এইতো চাই, ফাঁস কাগজ, একি
দীনবন্ধু মিত্র সধবার একাদশী, বিয়ে পাগলা বুড়, জামাই বারিক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরগোরায় গলদ, বৈকুণ্ঠের খাতা, চিরকুমার সভা, শেষ রক্ষা, ব্যঙ্গ কৌতুক, হাস্য কৌতুক
রাম নারায়ন তর্করত্নউভয় সঙ্কট, চক্ষুদান, যেমন কর্ম তেমন ফল
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরকিঞ্চিত জলযোগ, এমন কর্ম আর করব না, হঠাৎ নবাব, হিতে বিপরীত, দায়ে পরে দায়গ্রহ

Saturday, March 29, 2014

১৯৭১ হুমায়ুন আহমেদের একটি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপন্যাস-


হুমায়ুন আহমেদের ১৯৭১ একটি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপন্যাস (যা নাটক হিসাবে ও উপস্থান করা হয়েছে) । নাটকের  নায়কের নাম আজিজ এবং নায়িকার নাম মালা| রফিক, নাটকটির আকর্ষণীয় একটি চরিত্র। যিনি অভিনয় করেছেন একজন রাজাকারের চরিত্রে। রাজাকার হলেও তিনি ছিলেন একজন মুক্তিবাহিনীর সদস্য। তিনি পাক বাহিনীকে ভুল পথে পরিচালিত করে মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা করে দেন। দেশের জন্য করা তাঁর এই চাতুরী ধরা পড়লে তাঁকে হত্যা করা হয়।


নাটকটির পটভূমি, নাটকের শেষে ঘোষকের কন্ঠেই শোনা যায় - "১৯৭১ সনের ১১ই মে ময়মনসিংহের নীলগঞ্জে রফিক নামের একজন মানুষ কে গুলি করে মারে। ছোট এই মানুষটি পথ ভুলিয়ে নীলগঞ্জে নিয়ে আসে ওদের। এবং সেই খবর পৌঁছে দেয় EPR এর কাছে। পাকিস্থান মিলিটারীর পুরোদলটাকে ঘিরে ফেলে EPR এর সেনারা। পাকিস্থানী মেজর গুলি করে মারার আগে রফিক কে বলেছিলেন-

তোমার কি ধারনা এই দেশ তোমার বীরত্বের কথা মনে রাখবে? তোমাকে নিয়ে গল্প কাহিনী লেখা হবে? কাব্য লেখা হবে? কিছুই হবে না রফিক। তোমাকে কেউ মনে রাখবেনা। 

স্বাধিনতার কুড়ি বছর পর আমরা অবাক হয়ে দেখেছি-- মেজরের কথাই সত্যি হচ্ছে- আমরা কেউ কিছুই মনে রাখছিনা। চেষ্টা করছি সব কিছুই ভুলে যেতে। এমন ভাব করছি যেন ১৯৭১ বলে কোন সময় আমাদের জীবনে আসেনি। ঐ সময়টা যেন ইতিহাসের বাইরের কোন সময়। আর কতদিন এইভাবে চলবে?? "
Powered by Blogger.

 

© 2014 Preparation for Job. All rights resevered.

Back To Top